বিভিন্ন ভাষায় তাফহীম


লগইন করুন



ফেইসবুকে বাংলা তাফহীম

বিষয় ভিত্তিক অনুসন্ধান

সূরার তালিকা

1 আল ফাতিহা
2 আল বাকারাহ
3 আলে ইমরান
4 আন্ নিসা
5 আল মায়েদাহ
6 আল আন'আম
7 আল আরাফ
8 আল আনফাল
9 আত তওবা
10 ইউনুস
11 হুদ
12 ইউসুফ
13 আর্ রাদ
14 ইবরাহীম
15 আল হিজর
16 আন্ নাহল
17 বনী ইসরাঈল
18 আল কাহফ
19 মারয়াম
20 ত্বাহা
21 আল আম্বিয়া
22 আল হাজ্জ
23 আল মুমিনূন
24 আন্ নূর
25 আল-ফুরকান
26 আশ্-শু’আরা
27 আন নামল
28 আল কাসাস
29 আল আনকাবূত
30 আর রূম
31 লুকমান
32 আস সাজদাহ
33 আল আহযাব
34 আস সাবা
35 ফাতের
36 ইয়া-সীন
37 আস্ সা-ফফা-ত
38 সা-দ
39 আয যুমার
40 আল মুমিন
41 হা-মীম আস সাজদাহ
42 আশ শূরা
43 আয্ যুখরুফ
44 আদ দুখান
45 আল জাসিয়াহ
46 আল আহক্বাফ
47 মুহাম্মদ
48 আল ফাতহ
49 আল হুজুরাত
50 ক্বাফ
51 আয যারিয়াত
52 আত তূর
53 আন নাজম
54 আল ক্বামার
55 আর রহমান
56 আল ওয়াকি’আ
57 আল হাদীদ
58 আল মুজাদালাহ
59 আল হাশর
60 আল মুমতাহিনা
61 আস সফ
62 আল জুমআ
63 আল মুনাফিকুন
64 আত তাগাবুন
65 আত তালাক
66 আত তাহরীম
67 আল মুলক
68 আল কলম
69 আল হাককাহ
70 আল মাআরিজ
71 নূহ
72 আল জিন
73 আল মুযযাম্মিল
74 আল মুদ্দাস্সির
75 আল কিয়ামাহ
76 আদ্ দাহর
77 আল মুরসালাত
78 আন নাবা
79 আন নাযি’আত
80 আবাসা
81 আত তাকবীর
82 আল ইনফিতার
83 আল মুতাফফিফীন
84 আল ইনশিকাক
85 আল বুরূজ
86 আত তারিক
87 আল আ’লা
88 আল গাশিয়াহ
89 আল ফজর
90 আল বালাদ
91 আশ শামস
92 আল লাইল
93 আদ দুহা
94 আলাম নাশরাহ
95 আত তীন
96 আল আলাক
97 আল কাদ্‌র
98 আল বাইয়েনাহ
99 আল যিলযাল
100 আল আদিয়াত
101 আল কারি’আহ
102 আত তাকাসুর
103 আল আসর
104 আল হুমাযা
105 আল ফীল
106 কুরাইশ
107 আল মাউন
108 আল কাউসার
109 আল কাফিরূন
110 আন নসর
111 আল লাহাব
112 আল ইখলাস
113 আল ফালাক
114 আন নাস

সুরার তিলাওয়াত


PopUp MP3 Player (New Window)

1
পরম করুণাময় মেহেরবান আল্লাহর নামে {আল ফাতিহাঃ ১ } ....বিস্তারিত দেখুন
1199
হে ঈমানদারগণ! এ কাফেরদের সাথে এমন যুদ্ধ করো, যেন গোমরাহী ও বিশৃংখলা নির্মূল হয়ে যায় এবং দ্বীন পুরোপুরি আল্লাহর জন্য নির্দিষ্ট হয়ে যায়। {আল আনফালঃ ৩৯ } ....বিস্তারিত দেখুন
1276
---বের হও, হালকা কিংবা ভারী যাই হওনা কেন, এবং জিহাদ করো আল্লাহর পথে নিজের ধন-প্রাণ দিয়ে। এটাই তোমাদের জন্য শ্রেয় যদি তোমরা জানতে। {আত তওবাঃ ৪১ } ....বিস্তারিত দেখুন
225
বিপরীত পক্ষে যারা ঈমান এনেছে এবং আল্লাহর পথে বাড়ি-ঘর ত্যাগ করেছে ও জিহাদ করেছে তারা সঙ্গতভাবেই আল্লাহর রহমতের প্রত্যাশী। আর আল্লাহ‌ তাদের ভুল-ত্রুটি ক্ষমা করে দেবেন এবং তাদের প্রতি নিজের {আল বাকারাহঃ ২১৮ } ....বিস্তারিত দেখুন
200
তোমরা তাদের সাথে যুদ্ধ করতে থাকো যতক্ষণ না ফিতনা নির্মূল হয়ে যায় এবং দ্বীন একমাত্র আল্লাহ‌র জন্য নির্দিষ্ট হয়ে যায়। তারপর যদি তারা বিরত হয় তাহলে জেনে রাখো যালেমদের ছাড়া আর কারোর ওপর হস্তক্{আল বাকারাহঃ ১৯৩ } ....বিস্তারিত দেখুন
2842
মু’মিনদের কাজই হচ্ছে, যখন তাদেরকে আল্লাহ‌ ও রসূলের দিকে ডাকা হয়, যাতে রসূল তাদের মোকদ্দমার ফায়সালা করেন, তখন তারা বলেন, আমরা শুনলাম ও মেনে নিলাম। এ ধরনের লোকেরাই সফলকাম হবে। {আন্ নূরঃ ৫১ } ....বিস্তারিত দেখুন
1735
তারাই এ ধরনের লোক যারা (এ নবীর দাওয়াত) গ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর স্মরণে তাদের চিত্ত প্রশান্ত হয়। {আর্ রাদঃ ২৮ } ....বিস্তারিত দেখুন
2842
মু’মিনদের কাজই হচ্ছে, যখন তাদেরকে আল্লাহ‌ ও রসূলের দিকে ডাকা হয়, যাতে রসূল তাদের মোকদ্দমার ফায়সালা করেন, তখন তারা বলেন, আমরা শুনলাম ও মেনে নিলাম। এ ধরনের লোকেরাই সফলকাম হবে। {আন্ নূরঃ ৫১ } ....বিস্তারিত দেখুন
1735
তারাই এ ধরনের লোক যারা (এ নবীর দাওয়াত) গ্রহণ করেছে এবং আল্লাহর স্মরণে তাদের চিত্ত প্রশান্ত হয়। {আর্ রাদঃ ২৮ } ....বিস্তারিত দেখুন
321
মু’মিনরা যেন ঈমানদারদের বাদ দিয়ে কখনো কাফেরদেরকে নিজেদের পৃষ্ঠপোষক, বন্ধু ও সহযোগী হিসেবে গ্রহণ না করে। যে এমনটি করবে, আল্লাহ‌র সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। তবে হ্যাঁ, তাদের জুলুম থেকে আত্মর{আলে ইমরানঃ ২৮ } ....বিস্তারিত দেখুন
4622
মু’মিনরা তো পরস্পর ভাই ভাই। অতএব তোমাদের ভাইদের মধ্যকার সম্পর্ক ঠিক করে দাও। আল্লাহকে ভয় করো, আশা করা যায় তোমাদের প্রতি মেহেরবানী করা হবে। {আল হুজুরাতঃ ১০ } ....বিস্তারিত দেখুন
321
মু’মিনরা যেন ঈমানদারদের বাদ দিয়ে কখনো কাফেরদেরকে নিজেদের পৃষ্ঠপোষক, বন্ধু ও সহযোগী হিসেবে গ্রহণ না করে। যে এমনটি করবে, আল্লাহ‌র সাথে তার কোন সম্পর্ক নেই। তবে হ্যাঁ, তাদের জুলুম থেকে আত্মর{আলে ইমরানঃ ২৮ } ....বিস্তারিত দেখুন
4622
মু’মিনরা তো পরস্পর ভাই ভাই। অতএব তোমাদের ভাইদের মধ্যকার সম্পর্ক ঠিক করে দাও। আল্লাহকে ভয় করো, আশা করা যায় তোমাদের প্রতি মেহেরবানী করা হবে। {আল হুজুরাতঃ ১০ } ....বিস্তারিত দেখুন

কোরআন প্রতিদিন
هُوَ الَّذِىۡۤ اَنۡزَلَ عَلَيۡكَ الۡكِتٰبَ مِنۡهُ اٰيٰتٌ مُّحۡكَمٰتٌ هُنَّ اُمُّ الۡكِتٰبِ وَاُخَرُ مُتَشٰبِهٰتٌ‌ۚ فَاَمَّا الَّذِيۡنَ فِىۡ قُلُوۡبِهِمۡ زَيۡغٌ فَيَتَّبِعُوۡنَ مَا تَشَابَهَ مِنۡهُ ابۡتِغَآءَ الۡفِتۡنَةِ وَابۡتِغَآءَ تَاۡوِيۡلِهٖ‌‌ۚ وَمَا يَعۡلَمُ تَاۡوِيۡلَهٗۤ اِلَّا اللّٰهُ‌ۘ وَالرّٰسِخُوۡنَ فِىۡ الۡعِلۡمِ يَقُوۡلُوۡنَ اٰمَنَّا بِهٖۙ كُلٌّ مِّنۡ عِنۡدِ رَبِّنَا‌ۚ وَمَا يَذَّكَّرُ اِلَّاۤ اُولُوۡا الۡاَلۡبَابِ‏
তিনিই তোমাদের প্রতি এ কিতাব নাযিল করেছেন। এ কিতাবে দুই ধরনের আয়াত আছেঃ এক হচ্ছে, মুহকামাত, যেগুলো কিতাবের আসল বুনিয়াদএবং দ্বিতীয় হচ্ছে, মুতাশাবিহাত।যাদের মনে বক্রতা আছে তারা ফিতনা সৃষ্টির উদ্দেশ্যে সবসময় মুতাশাবিহাতের পিছনে লেগে থাকে এবং তার অর্থ করার চেষ্টা করে থাকে। অথচ সেগুলোর আসল অর্থ আল্লাহ‌ ছাড়া আর কেউ জানে না। বিপরীত পক্ষে পরিপক্ক জ্ঞানের অধিকারীরা বলেঃ “আমরা এর প্রতি ঈমান এনেছি, এসব আমাদের রবের পক্ষ থেকেই এসেছে”।আর প্রকৃতপক্ষে জ্ঞানবান লোকেরাই কোন বিষয় থেকে সঠিক শিক্ষা গ্রহণ করে থাকে। বিস্তারিত দেখুন

বিষয়ভিত্তিক কুরআন

বিষয়ঃ ইসলামী আন্দোলনের লক্ষ্য ও উদ্দেশ্য

اِنِّىۡ وَجَّهۡتُ وَجۡهِىَ لِلَّذِىۡ فَطَرَ السَّمٰوٰتِ وَالۡاَرۡضَ حَنِيۡفًا‌ وَّمَاۤ اَنَا مِنَ الۡمُشۡرِكِيۡنَ‌ۚ‏
আমি তো একনিষ্ঠভাবে নিজের মুখ সেই সত্তার দিকে ফিরিয়ে নিয়েছি যিনি যমীন ও আসমান সৃষ্টি করেছেন এবং আমি কখনো মুশরিকদের অন্তর্ভুক্ত নই।” বিস্তারিত দেখুন
قُلۡ اِنَّ صَلَاتِىۡ وَنُسُكِىۡ وَمَحۡيَاىَ وَمَمَاتِىۡ لِلّٰهِ رَبِّ الۡعٰلَمِيۡنَۙ
বলো, আমার নামায, আমার ইবাদাতের সমস্ত অনুষ্ঠান, আমার জীবন ও মৃত্যু সবকিছু আল্লাহ‌ রব্বুল আলামীনের জন্য, বিস্তারিত দেখুন
وَمِنَ النَّاسِ مَنۡ يَّشۡرِىۡ نَفۡسَهُ ابۡتِغَآءَ مَرۡضَاتِ اللّٰهِ‌ؕ وَاللّٰهُ رَءُوۡفٌۢ بِالۡعِبَادِ
অন্যদিকে মানুষের মধ্যে এমন লোকও আছে আল্লাহর সন্তুষ্টি লাভের অভিযানে যে নিজের প্রাণ সমর্পণ করে। এই ধরনের বান্দার ওপর আল্লাহ‌ অত্যন্ত স্নেহশীল ও মেহেরবান। বিস্তারিত দেখুন
اِنَّ اللّٰهَ اشۡتَرٰى مِنَ الۡمُؤۡمِنِيۡنَ اَنۡفُسَهُمۡ وَاَمۡوَالَهُمۡ بِاَنَّ لَهُمُ الۡجَنَّةَ‌ؕ يُقَاتِلُوۡنَ فِىۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ فَيَقۡتُلُوۡنَ وَيُقۡتَلُوۡنَ‌ وَعۡدًا عَلَيۡهِ حَقًّا فِىۡ التَّوۡرٰٮةِ وَالۡاِنۡجِيۡلِ وَالۡقُرۡاٰنِ‌ؕ وَمَنۡ اَوۡفٰى بِعَهۡدِهٖ مِنَ اللّٰهِ فَاسۡتَبۡشِرُوۡا بِبَيۡعِكُمُ الَّذِىۡ بَايَعۡتُمۡ بِهٖ‌ؕ وَذٰلِكَ هُوَ الۡفَوۡزُ الۡعَظِيۡمُ
প্রকৃত ব্যাপার এই যে, আল্লাহ‌ মুমিনদের থেকে তাদের প্রাণ ও ধন-সম্পদ জান্নাতের বিনিময়ে কিনে নিয়েছেন। তারা আল্লাহর পথে লড়াই করে এবং মারে ও মরে। তাদের প্রতি তাওরাত, ইঞ্জিল ও কুরআনে(জান্নাতের ওয়াদা) আল্লাহর জিম্মায় একটি পাকাপোক্ত ওয়াদা বিশেষ। আর আল্লাহর চাইতে বেশী নিজের ওয়াদা পূরণকারী আর কে আছে? কাজেই তোমরা আল্লাহর সাথে যে কেনা-বেচা করছো সেজন্য আনন্দ করো। এটিই সবচেয়ে বড় সাফল্য। বিস্তারিত দেখুন

বিষয়ঃ ইসলামী আন্দোলন না করার পরিনাম

اِلَّا تَنۡفِرُوۡا يُعَذِّبۡكُمۡ عَذَابًا اَلِيۡمًا ۙ وَّيَسۡتَبۡدِلۡ قَوۡمًا غَيۡرَكُمۡ وَلَا تَضُرُّوۡهُ شَيۡـًٔا‌ؕ وَاللّٰهُ عَلٰى كُلِّ شَىۡءٍ قَدِيۡرٌ‏
তোমরা যদি না বের হও তাহলে আল্লাহ‌ তোমাদের যন্ত্রণাদায়ক শাস্তি দেবেন এবং তোমাদের জায়গায় আর একটি দলকে ওঠাবেন, আর তোমরা আল্লাহর কোন ক্ষতি করতে পারবে না। তিনি সব জিনিসের ওপর শক্তিশালী। বিস্তারিত দেখুন
اِلَّا تَنۡصُرُوۡهُ فَقَدۡ نَصَرَهُ اللّٰهُ اِذۡ اَخۡرَجَهُ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا ثَانِىَ اثۡنَيۡنِ اِذۡ هُمَا فِىۡ الۡغَارِ اِذۡ يَقُوۡلُ لِصَاحِبِهٖ لَا تَحۡزَنۡ اِنَّ اللّٰهَ مَعَنَا‌ۚ فَاَنۡزَلَ اللّٰهُ سَكِيۡنَتَهٗ عَلَيۡهِ وَاَيَّدَهٗ بِجُنُوۡدٍ لَّمۡ تَرَوۡهَا وَجَعَلَ كَلِمَةَ الَّذِيۡنَ كَفَرُوۡا السُّفۡلٰى‌ؕ وَكَلِمَةُ اللّٰهِ هِىَ الۡعُلۡيَاؕ وَاللّٰهُ عَزِيۡزٌ حَكِيۡمٌ
তোমরা যদি নবীকে সাহায্য না কর, তাহলে কোন পরোয়া নেই। আল্লাহ‌ তাকে এমন সময় সাহায্য করেছেন যখন কাফেররা তাকে বের করে দিয়েছিল, যখন সে ছিল মাত্র দু’জনের মধ্যে দ্বিতীয় জন, যখন তারা দু’জন গুহার মধ্যে ছিল, তখন সে তার সাথীকে বলেছিল, চিন্তিত হয়ো না, আল্লাহ‌ আমাদের সাথে আছেন। সে সময় আল্লাহ‌ নিজের পক্ষ থেকে তার ওপর মানসিক প্রশান্তি নাযিল করেন এবং এমন সেনাদল পাঠিয়ে তাকে সাহায্য করেন, যা তোমরা দেখনি এবং তিনি কাফেরদের বক্তব্যকে নিচু করে দেন। আর আল্লাহর কথা তো সমুন্নত আছেই। আল্লাহ‌ পরাক্রমশালী ও প্রজ্ঞাময়। বিস্তারিত দেখুন
فَرِحَ الۡمُخَلَّفُوۡنَ بِمَقۡعَدِهِمۡ خِلٰفَ رَسُوۡلِ اللّٰهِ وَكَرِهُوۡۤا اَنۡ يُّجَاهِدُوۡا بِاَمۡوَالِهِمۡ وَاَنۡفُسِهِمۡ فِىۡ سَبِيۡلِ اللّٰهِ وَقَالُوۡا لَا تَنۡفِرُوۡا فِىۡ الۡحَرِّؕ قُلۡ نَارُ جَهَنَّمَ اَشَدُّ حَرًّا‌ؕ لَوۡ كَانُوۡا يَفۡقَهُوۡنَ
যাদেরকে পিছনে থেকে যাওয়ার অনুমতি দেয়া হয়েছিল তারা আল্লাহর রসূলের সাথে সহযোগিতা না করারও ঘরে বসে থাকার জন্য আনন্দিত হলো এবং তারা নিজেদের ধন-প্রাণ দিয়ে আল্লাহর পথে জিহাদ করতে অপছন্দ করলো। তারা লোকদেরকে বললো, “এ প্রচণ্ড গরমের মধ্যে বের হয়ো না।” তাদেরকে বলে দাও, জাহান্নামের আগুন এর চেয়েও বেশী গরম, হায়! যদি তাদের সেই চেতনা থাকতো! বিস্তারিত দেখুন
বাংলা তাফহীমুল কুরআন
তাফহীমুল কুরআন আন্দোলনমুখী তাফসীর

ছাত্র জীবন থেকেই বাংলা ও ইংরেজী ভাষায় প্রকাশিত তাফসীর থেকে কুরআন বুঝবার চেষ্টা করেছিলাম । আলেম না হলে কুরআন বুঝা সম্ভব নয় মনে করেই এ চেষ্টায় ক্ষান্ত দিলাম । ১৯৫৪ সালে মরহুম আবদুল খালেক সাহেবের দারসে কুরআন কিছুদিন শুনে সহজ মনে হল । জানতে পারলাম যে মাওলানা মওদূদী (রঃ) - এর লিখিত তাফহীমুল কুরআন থেকেই তিনি দারস দেন । তখন নতুন উৎসাহ নিয়ে এ তাফসীর অধ্যয়নে মনোযোগ দিলাম।

বিস্তারিত
 
যা জেনে নেয়া প্রয়োজন

কুরআন অধ্যয়নের আগে একজন সাধারন পাঠককে এমন কিছু কথা ভালোভাবে জেনে নিতে হবে যেগুলো শুরুতেই জেনে নিলে তার পক্ষে কুরআনের বক্তব্য অনুধাবন করা সহজ হয়ে যায়। নয়তো কুরআন অধ্যয়নের মাঝখানে বারবার একথাগুলো তার মনে সন্দেহ সঞ্চার করতে পারে। অনেক সময় শুধুমাত্র এগুলো না বুঝার কারণে মানুষ কুরআনের অন্তরনিহিত অর্থের কেবলমাত্র উপরিভাগে আসতে থাকে বছরের পর বছর ধরে। ভেতরে প্রবেশ করার আর কোন পথই খুঁজে পায় না। বিস্তারিত